মঙ্গলবার (২৬ মে) জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
র্যাব ডিজি বলেন, 'জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র্যাব ও পুলিশের যৌথ চৌকি থাকলেও নিয়মিত কার্যক্রম চলমান ছিল। তবে পুরো পরিস্থিতি যথাযথভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হয়নি, যেখানে কিছু দুর্বলতা ছিল।'
তিনি আরও বলেন, 'কোনোভাবেই ইয়াসিন বাহিনী বা অবৈধ দখলদারদের ওই এলাকায় অবস্থান করতে দেওয়া হবে না। তাদের উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেখানে নতুন করে অনুপ্রবেশ বা অবস্থান নেওয়ার মতো কোনো সুযোগ থাকবে না।'
এ সময় ঈদুল আজহা ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। কোরবানির পশুবাহী ট্রাক যেন জোরপূর্বক হাটে প্রবেশ করানো না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, 'রাজধানী ঢাকায় ফাঁকা পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে চুরি ও ছিনতাই রোধে দিন-রাত অতিরিক্ত পেট্রোল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।'