মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৫২ হাজার সরকারি দপ্তর জাতীয় তথ্য বাতায়নের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে ৩৫ হাজার ৫০০টির বেশি ওয়েবসাইট ইতোমধ্যে নতুন সংস্করণে হোস্ট করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অধিদপ্তর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সরকারি ওয়েবসাইটও এই প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।
এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহা. আব্দুর রফিক বলেন, 'নতুন সংস্করণটির কার্যকারিতা পরীক্ষা, দুর্বলতা মূল্যায়ন ও অনুপ্রবেশ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার কোয়ালিটি টেস্টিং এবং সার্টিফিকেশন সেন্টারের মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সংস্করণটিকে সনদ প্রদান করেছে।'
জ্যেষ্ঠ পরামর্শক (উপসচিব) ফজলুল জাহিদ বলেন, 'আগে কোনো নাগরিককে সেবা সংক্রান্ত তথ্য জানতে সরাসরি সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হতো। এতে সময় ও খরচ উভয়ই বাড়ত। এখন ঘরে বসে জাতীয় তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে অফিসের ঠিকানা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন প্রক্রিয়া ও নির্দেশনা জানা যায়। এছাড়া টেন্ডার, চাকরির বিজ্ঞপ্তি, সিটিজেন চার্টার ও অর্থ বরাদ্দ-সংক্রান্ত তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। এটি শুধু তথ্য প্রদানের মাধ্যম নয়, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নেও কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ফলে নাগরিকের ভোগান্তি কমছে এবং সরকারেরও পৃথক ওয়েবসাইট তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় কমছে।'
প্রযুক্তিগত দিক থেকে নতুন সংস্করণে যুক্ত হয়েছে ক্লাউড ও মাইক্রোসার্ভিসভিত্তিক কাঠামো। ফলে প্ল্যাটফর্মটি আরও দ্রুত, স্থিতিশীল ও সম্প্রসারণযোগ্য হয়েছে। এতে দ্রুত সার্চ, রিয়েল-টাইম হালনাগাদ ও কনটেন্ট ক্যাশিং সুবিধা রয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থাতেও উন্নয়ন আনা হয়েছে। সিঙ্গেল সাইন-অন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ও এসএসএল এনক্রিপশনসহ নানা নিরাপত্তা পদক্ষেপ সংযোজন করা হয়েছে।