জানা যায়, ১৪ আগস্ট ২০২৩ সালে যোগদান করা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ ভূঁইয়া দায়িত্ব গ্রহণের পর নিয়মিত পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি উপেক্ষিত থাকে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রথমে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। পরে প্রশ্নের মুখে তিনি তড়িঘড়ি করে পতাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করেন। এ সময় অফিস সহকারী মোফাজ্জল হোসেন জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা না থাকায় নিয়মিত পতাকা উত্তোলন করা হয় না।
পতাকা উত্তোলনের নীতিমালা নিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। তাদের মতে, বহু আন্দোলন-সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকা শুধু বিশেষ দিবসেই নয়, প্রতিদিন যথাযথ মর্যাদায় উত্তোলন করা উচিত।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহলের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি কর্মদিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এবিষয়ে নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, জাতীয় দিবসে শুধু পতাকা উত্তোলন নয়, দিবসটিও যথাযথ মর্যাদায় পালন করতে হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রেখে জাতীয় দিবস পালন করলে সকলের মধ্যে গুরুত্ব বাড়বে। যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় দিবসে পতাকা উত্তোলন করা হয়নি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানান,এ বিষয়ে অবগত রয়েছি,যিনি এবিষয়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তাকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে শোকজ করা হয়েছে।