বিবৃতিতে বলা হয়, চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা হয়েছিল। এতে ড. মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা’ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, চিঠির নিচে শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে এবং যদি বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দেন, তবে চিঠির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
এর আগে, একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানিয়েছিল যে চিঠির বিষয়ে দলের আমির অবগত ছিলেন না। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এমন কোনো ফোনালাপ হয়নি।