শনিবার (২৩ মে) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
রেল সচিব বলেন, 'ঈদ উপলক্ষে বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে আগে থেকেই নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন—তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একই মন্ত্রীর অধীনে থাকায় সমন্বয় কার্যক্রম আরও সহজ হয়েছে।'
তিনি বলেন, 'আমরা সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছি। বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। আশা করছি, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে।'
ঈদযাত্রায় ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান ফাহিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, 'ট্রেনে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে ছাদে ওঠার প্রবণতা বেশি দেখা যায়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও জিআরপি মোতায়েন থাকবে।'
স্টেশনে টিকিটবিহীন যাত্রী প্রবেশ রোধে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, 'টিকিট ছাড়া প্রবেশকারীরাই সাধারণত ভিড় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তাই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।'
রেল সচিব আরও বলেন, 'অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে এবারও মোট টিকিটের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং রাখা হয়েছে। কারণ ঈদের সময় ট্রেনে যাত্রার চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি থাকে।'
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি, মেট্রোপলিটন পুলিশ ও এপিবিএনের সদস্যরা একযোগে দায়িত্ব পালন করছেন। কমলাপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে ছিনতাই, পকেটমার ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। যাত্রীরা প্রয়োজনীয় তথ্য, অভিযোগ বা সহায়তার জন্য রেলওয়ের ১৩১ হটলাইনে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান রেল সচিব।