হাসিনার সময়ের সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুলের সহযোগী মো. ইফতেখার আলী পুনরায় এলজিইডিতে পুনর্বাসিত

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:২৮
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন মির্জা মো. ইফতেখার আলী। সারা দেশের গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এই শাখার মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং প্রতিবছর এ খাতে ব্যয় হয় কয়েক হাজার কোটি টাকা। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে তার নিয়োগ ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

১৯৬৮ সালে সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্ম নেওয়া ইফতেখার আলী ১৯৯২ সালে কুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৫ সালে সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে এলজিইডিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১২ সালে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পান। এরপর মাগুরা, যশোর, কক্সবাজার ও কুমিল্লাসহ একাধিক জেলায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।

তবে তার দায়িত্ব পালনকাল ঘিরে বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার ও ঠিকাদারদের সঙ্গে অস্বচ্ছ সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে বলে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে।

কক্সবাজারে দায়িত্ব পালনকালে রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ছিল। কুমিল্লায় দায়িত্ব পালনকালে টেন্ডার বণ্টন ও বদলি প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগও শোনা যায়। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আদালত বা সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ্য তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।

এলজিইডির রক্ষণাবেক্ষণ শাখা সরাসরি মাঠপর্যায়ের কাজের মান, বিল পরিশোধ এবং বরাদ্দ ব্যবহারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ফলে এই পদে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তার সততা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রত্যাশা থাকে। সংশ্লিষ্টদের একাংশের মতে, অতীতের বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও তাকে এ পদে পদায়ন করায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তিনি এ দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। মির্জা মো. ইফতেখার আলীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

হাজার কোটি টাকার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের দায়িত্ব এখন তার হাতে। ফলে নতুন দায়িত্বে তিনি কীভাবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মান নিশ্চিত করেন, সেদিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. স্কুল কমিটি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২৮ সদ্য. তেজগাঁও কলেজ মসজিদে ‘গোপন বৈঠক’, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ সদ্য. রাজধানীর চার এলাকায় ৮ ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. কুড়িগ্রামের ফের সার নিয়ে উত্তেজনা, অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা সদ্য. শেখ হাসিনা আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করবে বাংলাদশে, প্রতিক্রিয়ায় যা বলল ভারত সদ্য. ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী সদ্য. দেশে হাম উপসর্গে মৃত্যু ৯৫০ ছুঁই ছুঁই সদ্য. অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দুর্নীতি ও নোট বাণিজ্য বরদাশত হবে না: কাজল সদ্য. তারেক রহমানের হাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষিত নয়: নাহিদ সদ্য. নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দ্য হিন্দু সদ্য. স্কুল কমিটি নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২৮ সদ্য. তেজগাঁও কলেজ মসজিদে ‘গোপন বৈঠক’, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ সদ্য. রাজধানীর চার এলাকায় ৮ ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. কুড়িগ্রামের ফের সার নিয়ে উত্তেজনা, অবরুদ্ধ কৃষি কর্মকর্তা সদ্য. শেখ হাসিনা আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করবে বাংলাদশে, প্রতিক্রিয়ায় যা বলল ভারত সদ্য. ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী সদ্য. দেশে হাম উপসর্গে মৃত্যু ৯৫০ ছুঁই ছুঁই সদ্য. অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দুর্নীতি ও নোট বাণিজ্য বরদাশত হবে না: কাজল সদ্য. তারেক রহমানের হাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষিত নয়: নাহিদ সদ্য. নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দ্য হিন্দু