শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়েছেন অনলাইন নিউজপোর্টাল ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি নয়ন দাস (২৯)। আহতের ঘটনায় চারজনের নামে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার দিন বিকেলে চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় লিখিত অভেযোগ দায়ের করেন। এরপরে শনিবার মমালাটি এজাহার ভুক্ত হয়। রোববার (১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোসাইরহাট থানার ওসি মো.আজিজুল ইসলাম।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়েছেন অনলাইন নিউজপোর্টাল ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি নয়ন দাস (২৯)। আহতের ঘটনায় চারজনের নামে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার দিন বিকেলে চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় লিখিত অভেযোগ দায়ের করেন। এরপরে শনিবার মমালাটি এজাহার ভুক্ত হয়।
রোববার (১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোসাইরহাট থানার ওসি মো.আজিজুল ইসলাম। তবে আসামীরা পালিয়ে যাওয়ায় এঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। গ্রেপ্তারের চেষ্টায় অভিযান চলমান আছে বলে জানায় পুলিশ।
আসামীরা হলেন: নাগেরপাড়া ইউনিয়নের বাদশা কাজীর ছেলে লিখন কাজী(৩৫),ও তার ভাই নজরুল কাজী(৪০), একই এলাকার আব্দুল হাই জমাদারে ছেলে মনির জমাদার(৪০), ও মাদারীপুর কালকিনি উপজেলার সিডু আকনের ছেলে সাইদুল আকন(৫২)সহ আরো অজ্ঞাত ৪-৫ জন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, নাগেরপাড়া ইউনিয়নের উত্তর মলংচরা এলাকায় মাদক ও জোয়ার আসর বসে।স্থানীয়দের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তারা বিষয়টি যাচাই করতে গত বুধবার ঘটনাস্থলে যান নয়ন দাসসহ স্থানীয় আরো কয়েকজন সংবাদকর্মী। এসময় দূর থেকে একটি মাদক ও জুয়ার আস্তানার ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগীর দাবি, বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের দিকে ফেরার সময় নাগেরপাড়া বাজারে তার মোটরসাইকেল গতিরোধ করা হয়। এ সময় মনির জমাদ্দার, সাইদুল আকন, নজরুল কাজী ও লিখন কাজীসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে মারধর করে, ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নয়ন দাস বলেন, 'স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে মাদক ও জুয়ার আসরের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করছিলাম। এ কারণে আমাকে পথরোধ করে মারধর করা হয়েছে। ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়েছে, টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু আমার ওপর হামলা নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা।'
গোসাইরহাট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিজুল ইসলমা জানান, সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে আসামীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলমান রয়েছে।
সদ্য সংবাদ/মো.সাহেদ আহমেদ