স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। আঞ্চলিক, কৌশলগত ও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় উন্নীত করতে চাই। চীন ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বিভিন্ন বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে, ভবিষ্যতে এ বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর জন্য আমরা আশাবাদী।'
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল সরকার থাকায় চীন দেশের প্রতি বিনিয়োগ বাড়াবে।
এছাড়াও রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অংশগ্রহণে চীনের উদ্যোগে গঠিত "International Alliance Combating Telecom and Cyber Fraud" জোটে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। মন্ত্রী এই প্রস্তাব যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানোর নির্দেশনা গ্রহণ করেন এবং বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, সাইবার অপরাধ দমন, পুলিশ প্রশিক্ষণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
চীনা রাষ্ট্রদূত নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে চীন সফরের আমন্ত্রণ দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।