নবীনগর বাজারের আলমাস মিয়া নামের একজন ব্যবসায়ী সদর ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মোঃ শামসুদ্দোহা'র কাছে একটি জমির খারিজ করতে এলে, তিনি (শামসুদ্দোহা) ৪০ হাজার টাকা ঘুষ চান। এ খবর শুনে বাংলা টিভির প্রতিনিধি পিয়াল হাসান রিয়াজ, গ্রিন টিভি ও সদ্য সংবাদের প্রতিনিধি মমিনুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি এসএম অলিউল্লাহ খারিজ সংক্রান্ত তথ্য জানতে সেখানে যান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তা সামসুদ্দোহার সাথে মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বললে তিনি রাগত স্বরে বলেন, 'আমি কোন সাংবাদিক "টাংবাদিকের" সাথে কথা বলি না'-বলেই ফোনটা রেখে দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, 'সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তিনি আমাকে জানান যে এটি ভুলবশত হয়েছে। তবে বিষয়টি অবশ্যই ন্যাক্কার জনক। আমরা একটি শুনানির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তবে ঘটনাটি শোনার পরপরই আমি প্রেসক্লাব সভাপতি ও একজন সরকারি দলের নেতাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তালা খোলার ব্যবস্থা করি।'
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বলেন, 'তখন আমি ইউএনও'র কক্ষে ছিলাম। ওই ভূমি কর্মকর্তা হন্তদন্ত হয়ে এসে ইউএনওকে ঘটনাটি জানাচ্ছিলেন। পরে ইউএনও মহোদয় তার পক্ষে আমাকে গিয়ে তালাটি খুলে দেওয়ার অনুরোধ করলে, আমি গিয়ে তালা খুলে সাংবাদিকদের মুক্ত করি।'
এদিকে নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হোসেন শান্তি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওই ভূমি কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করেন।