স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ৪ এপ্রিল কৌশলে হাসান মিয়া তার ভাগিনাকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে মিশ্রিত বিষাক্ত রাসায়নিক পান করতে দেন। পান করার কিছুক্ষণ পরই সে শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রেফার করেন। ঢাকা থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে জেলা মর্গে পাঠানো হবে, রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
সদ্য সংবাদ/মমিনুল হক রুবেল