ভুক্তভোগী কিশোরী বলেন, 'স্যার আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করেছিলেন। গত সাত মাস ধরে তিনি আমাকে লালসার পণ্য বানিয়ে রেখেছেন।'
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রীর পরিবার সত্যতা যাচাই করতে কোচিং সেন্টারে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে রাকিব পালিয়ে গেলেও বুধবার রাতে স্থানীয় মাতব্বরদের উপস্থিতিতে একটি ঘরোয়া বৈঠক বসে। সেখানে উপস্থিত সবার সামনে রাকিব ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তবে, ধৃষ্টতা দেখিয়ে একে কেবলই “সময়ক্ষেপণ” হিসেবে উল্লেখ করেন। এতে উপস্থিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধরে পুলিশে দেয়।
স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষক পরিচয়ের আড়ালে রাকিব একজন অভ্যাসগত নারী নিপীড়নকারী। এর আগেও তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। উল্লেখ্য, অভিযুক্তের বাবাও একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান বলেন, 'অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (OCC) পাঠানো হয়েছে।'
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।