দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সেলিমা রহমান, এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেরানীগঞ্জে, আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে, সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজারে, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকায় ঈদ পালন করবেন।
এদিকে অসুস্থতার কারণে মির্জা আব্বাস বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একইভাবে নজরুল ইসলাম খান বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় দেশে ঈদ উদযাপন করতে পারছেন না।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকায় ঈদ করবেন। এছাড়া আবদুল আউয়াল মিন্টু ঢাকায়, কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ কুমিল্লার মুরাদনগরে, মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহীতে এবং নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরায় ঈদ উদযাপন করবেন।
এছাড়া খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক সিলেটে, জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ কুমিল্লা সদরে এবং আফরোজা খানম রিতা মানিকগঞ্জে ঈদ পালন করবেন।
অন্যদের মধ্যে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুরে, আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটে, মো. আসাদুজ্জামান ঝিনাইদহে এবং জাকারিয়া তাহের কুমিল্লার বরুড়ায় ঈদ করবেন।
এছাড়া দীপেন দেওয়ান রাঙ্গামাটিতে, আনম এহসানুল হক মিলন চাঁদপুরের কচুয়ায়, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নরসিংদীতে এবং ফকির মাহবুব আনাম টাঙ্গাইলে ঈদ উদযাপন করবেন।
এদিকে শেখ রবিউল আলম ঢাকায় এবং আহমেদ আযম খান টাঙ্গাইলে ঈদ পালন করবেন।
দলীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঈদের দিন সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে জিয়ারত করবেন সিনিয়র নেতারা। পরে দলীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তারা।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বিএনপি নেতারা ঈদকে কেবল ধর্মীয় উৎসব হিসেবে নয়, বরং সংগঠন পুনর্গঠন, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার এবং রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবেও ব্যবহার করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।