আর্থকোয়েক ট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের হোমালিন এলাকা, যা ভারতের মণিপুর সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার গভীরে। তুলনামূলক বেশি গভীরতায় উৎপন্ন হওয়ায় এর তীব্রতা ভূপৃষ্ঠে কম অনুভূত হয় এবং অধিকাংশ স্থানে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।
অন্যদিকে, ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানায়, একই দিনে ভোর ৫টা ৫৯ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে মণিপুরের কামজং এলাকায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৬২ কিলোমিটার।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ এবং এর গভীরতা ছিল ১০০ দশমিক ৬ কিলোমিটার।
ভূমিকম্পটি মাঝারি মাত্রার হলেও এর উৎপত্তিস্থল গভীরে হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে হঠাৎ কম্পনে ঘুম ভেঙে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।