সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে সোমবার বিকেলে ভোলায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শহরের নতুন বাজার এলাকায় জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ছাত্রদলের নেতা সিফাত হত্যার প্রতিবাদে বের হওয়া একটি মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন অভিযোগ করেন, মিছিলটি নতুন বাজার এলাকায় বিজেপি কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে সেখান থেকে মিছিল লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা বিজেপি কার্যালয়ে হামলা চালায়।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক পার্টির জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সামছুল আলম। তিনি বলেন, ওই সময় তাঁদের দলীয় কার্যালয় বন্ধ ছিল। বিজেপির প্রতি জনসমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপি পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপি কার্যালয়ে হামলা বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত নয়। কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, সেটিও নিশ্চিত করা যায়নি বলে জানান তিনি।
ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান রাতে সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।