বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন আতঙ্ক

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩৩

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় একের পর এক মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। সীমান্ত ঘেঁষা অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকরা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রত্যক্ষ প্রভাবের মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। বুধবার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হন। এর কয়েকদিন আগেও একই সীমান্ত এলাকায় আরেকজনের মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ২৪ মে নাইক্ষ্যংছড়ির ভালুকিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে একজন রোহিঙ্গাসহ চারজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে জেলেদের অপহরণের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ ও অস্থিরতা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। নিজ দেশের ভূখণ্ডে অবস্থান করেও তারা প্রতিবেশী দেশের সংঘাতের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

এদিকে সীমান্ত এলাকায় কীভাবে এত বিপুলসংখ্যক মাইন ও বিস্ফোরক ছড়িয়ে পড়ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক বাস্তবতা মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সীমান্ত এলাকায় মাইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জেনেভা কনভেনশনের বিভিন্ন নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে সরকার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্প্রতি বলেছেন, সীমান্ত হত্যা, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে কূটনৈতিক পর্যায়ে বহুমুখী উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বিবিসি

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর