কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, এ কেন্দ্রে উপজেলার পাঁচটি বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরীক্ষার্থী রয়েছে। এ সময় ধুলাবালির কারণে শিক্ষার্থীদের নাক-মুখ ঢেকে সুরকি-বালির উপর দিয়ে হেঁটে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এতে তাদের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।
অভিভাবকদের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে এভাবে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা উদাসীনতার পরিচয়। দ্রুত সুরকি-বালির স্তুপ সরিয়ে পরীক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।'
অভিভাবক মো. কাউছার হোসেন বলেন, 'পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখায় আমাদের খুব অসুবিধা হয়েছে। ধুলাবালি ছাত্রছাত্রী নাকে মুখে যাচ্ছে। এগুলো সরানোর দরকার।'
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার কফিল উদ্দিন বলেন, 'বিষয়টি জানি না। খোঁজ নিয়ে ইউএনও মেডামকে জানাবো।'