জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনকে এই সমঝোতায় ধরে রাখতে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হককে। ইসলামী আন্দোলন অংশ না নিলে পরবর্তীতে ফাঁকা রাখা আসনগুলোতেও প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জোটের নেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেন জামায়াতসহ ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।
বৈঠক শেষে খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মোহাম্মদ মুনতাসির আলি সাংবাদিকদের বলেন, 'আজ রাত ৮টায় ২৫০ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৫০টি আসন আপাতত ফাঁকা রাখা হয়েছে।'
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক ও মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা।
তবে বৈঠকে অংশ নেয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এ বিষয়ে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, 'বৈঠকের বিষয়টি আমরা সকালে জানতে পারি। প্রস্তুতির অভাবে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে জামায়াতের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলমান রয়েছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।'
এদিকে, জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে টানাপোড়েন থাকলেও দুই পক্ষই আলোচনার পথ খোলা রেখেছে। আজ দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ইসলামী আন্দোলনকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও লেখালেখি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত বক্তব্য দেওয়ার সময় এখনো আসেনি। সবদিক থেকে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলেই আনুষ্ঠানিকভাবেই তা জাতির সামনে তা তুলে ধরা হবে।