ট্রাম্প জানান, তেহরান একটি চুক্তির জন্য আগ্রহী হলেও ওয়াশিংটন কি সেই চুক্তিতে আগ্রহী বা তা করা সম্ভব কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। সংবাদমাধ্যমে তার কূটনৈতিক আগ্রহ নিয়ে প্রকাশিত খবরের সমালোচনা করে তিনি জোর দেন, আলোচনার সুযোগ এখন ইরানের ওপর নির্ভর করছে এবং সঠিক শর্ত ছাড়া কোনো সমঝোতা হবে না।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানি নেতাদের ‘দক্ষ আলোচক’ হিসেবে বর্ণনা করলেও তাদের ‘দুর্বল যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, তেহরান আলোচনার টেবিলে না আসা পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী তাদের ওপর হামলা চালাতে বাধা দেবে না।
একই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, চলমান যুদ্ধ ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য এসেছে। তার মতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামনে নতুন সামরিক ও কূটনৈতিক বিকল্প তৈরি করেছে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের মন্ত্রিসভার বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও যুদ্ধের পক্ষে তাদের দৃঢ় অবস্থান জানিয়েছেন। অতীতে বিদেশে যুদ্ধ জড়ানোর বিরোধিতা করলেও, বর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এ হামলার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।
ভ্যান্স বলেন, 'ভবিষ্যতে ইরান যেন যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের জন্য পারমাণবিক হুমকি হয়ে উঠতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন।'
অন্যদিকে ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, ইরানে দীর্ঘমেয়াদী এই যুদ্ধ মার্কিন ডলারের বিশ্বব্যাপী আধিপত্যকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
সূত্র: সিএনএন