সম্প্রতি ট্রাম্প ইরানকে দেওয়া ডেডলাইনের শেষ মুহূর্তে এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে কঠোর ভাষায় হুমকি দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘একটি সভ্যতা আজ পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে যাবে।’
তবে শুধু বৈদেশিক নীতিই নয়, অভ্যন্তরীণ নানা কারণেও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি অসন্তোষ বাড়ছিল। ইরানের সঙ্গে সংঘাতকে কেন্দ্র করে বিপুল অর্থ ব্যয়, যার প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়েছে—এ বিষয়টিও জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি তার শাসনব্যবস্থাকে ঘিরে কর্তৃত্ববাদী আচরণ এবং বিতর্কিত আইন প্রণয়নও জনমনে ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত মাসে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। আয়োজকদের দাবি, প্রায় ৮০ লাখ মানুষ এতে অংশ নেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম।
এই প্রেক্ষাপটে ওকাসিও-কর্তেজ ট্রাম্পবিরোধী অবস্থানকে আরও জোরালো করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং সেই অবস্থান থেকে সরে আসেননি।
তিনি বলেন, 'আমরা আর বিশ্বকে এবং আমাদের দেশের মঙ্গলকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারি না। তাই, মন্ত্রিসভা হোক বা কংগ্রেস—প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। আমরা বিপদের কিনারায় পৌঁছে গেছি।'
এর আগে, ডেমোক্র্যাট দলের একাধিক আইনপ্রণেতাও ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের ভূমিকার সমালোচনা করে তাকে অভিশংসনের দাবি তুলেছিলেন। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও তাদের অনেকেই জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।