জানা যায়, বিকেলে সরাইল উপজেলার কালিগঞ্জ দত্তপাড়া এলাকায় বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করার সড়কের উপর পাশে এক এনজিও কর্মকর্তা তার মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন। বাড়ির ভেতরে রাস্তার উপর মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে সুমন মিয়া উত্তেজিত হয়ে বকাঝকা শুরু করে। এক পর্যায়ে এ নিয়ে তার ভাবী (চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী) রোমানা আক্তারের সাথে কথা কটাকাটি হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ভাবী রোমানা প্রথমে গাছের ডাল, পরে দা দিয়ে কুপিয়ে সুমন মিয়াকে হত্যা করে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার কালিকচ্ছ দত্তপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন মিয়া (৩২) কালিকচ্ছ দত্তপাড়ার গোলাপ মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, বিকেলে সরাইল উপজেলার কালিগঞ্জ দত্তপাড়া এলাকায় বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করার সড়কের উপর পাশে এক এনজিও কর্মকর্তা তার মোটরসাইকেলটি রেখেছিলেন। বাড়ির ভেতরে রাস্তার উপর মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে সুমন মিয়া উত্তেজিত হয়ে বকাঝকা শুরু করে। এক পর্যায়ে এ নিয়ে তার ভাবী (চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী) রোমানা আক্তারের সাথে কথা কটাকাটি হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ভাবী রোমানা প্রথমে গাছের ডাল, পরে দা দিয়ে কুপিয়ে সুমন মিয়াকে হত্যা করে।
খবর পেয়ে সরাইল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হত্যাকাণ্ডের আলামত সংগ্রহসহ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। ঘটনার পর থেকে ঘাতক রোমানা পলাতক রয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এই হত্যাকান্ড। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রোমানা আক্তার পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাকে আটকের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।'
এ ঘটনায় রুমানার শাশুড়ি বানু বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সদ্য সংবাদ/মমিনুল হক রুবেল