এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
হামলায় আহতদের মধ্যে পিপুলবাড়িয়া আঞ্চলিক শাখা জামায়াতের সভাপতি আ. আওয়াল, ছোনগাছা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সহকারি সেক্রেটারি নুর আলমকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে কাজিপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আরমান হোসেনসহ অনেকে।
সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর ও দলটির সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর-সদর একাংশ) আসনের প্রার্থী মাওলানা শাহিনুর আলম অভিযোগ করে জানান, সোমবার রাতে কাজিপুর উপজেলার সোনামুখি ইউনিয়নের স্থলবাড়ি গ্রামে একটি ইসলামি জলসায় উপস্থিত হলে তাকে বক্তব্য প্রদানে বাঁধা প্রদান করা হয়। মারপিট করা হয় তার কর্মীদের। সেখান থেকে ফেরার পথে সোনামুখি এলাকায় পৌঁছলে তার বহরে অতর্কিত হামলা চালায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এসময় তাদের মারপিটে জামায়াতের কাজিপুর উপজেলা সেক্রেটারিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ জামায়েত ইসলামের জেলা শাখার পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মঙ্গলবার সকালে মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা জামায়েত ইসলাম কার্যালয় শেষ হয়।
এ সময় জেলা জামাতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, 'আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে জামাত ইসলামের পক্ষ থেকে কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয় বাংলাদেশ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের মতো বিএনপির এখন আচরণ করছে।'
এ ঘটনায় কাজিপুর ১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা বলেন, 'এ ঘটনার সাথে বিএনপির কোন নেতা কর্মী জড়িত নয়। সভায় জামায়াত ইসলাম বহিরাগত ও আওয়ামী লীগ নিয়ে মিছিল করে সভামঞ্চে উপস্থিত হয়। এতে স্থানীয়রা বিষয়টি খারাপ ভাবে নিয়ে সভা বন্ধ করে দেন। পরে আমি সবাইকে সাথে নিয়ে আবারও সভাটি শুরু করি। এরপর সভা শেষে আমি চলে আসলে শুনতে পারি তাদের বহরে থাকা একজনকে আওয়ামী কর্মী সহ বেশ কয়েকজনকে নাকি স্থানীয়রা হামলা করেছে। তবে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।'
সদ্য সংবাদ/শুভ সেখ