মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, 'নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এসব হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।'
এই ঘটনাকে তিনি “সিস্টেমেটিক ও ওয়াইডস্প্রেড অ্যাটাক” এবং “টার্গেটেড কিলিং” হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, 'হেফাজতে ইসলামের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি এবং ঢাকায় অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তাদের অবস্থান প্রতিহত করতে না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ছিল।'
তিনি আরও জানান, হেফাজতে ইসলামের নিহত সদস্যদের প্রত্যেক পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি মৃত্যুর পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।