স্বল্প সময়ের মধ্যেই ফুলকি স্টলের জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এর নান্দনিক সৌন্দর্যের কারণে। খোলামেলা পরিবেশ, বাশ ও কাঠের দ্বারা তৈরি পুরো স্টলের আলোকসজ্জা আর চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য যেন ভ্রমণপিপাসুদের মন কেড়ে নিচ্ছে দ্রুতই।
পর্যটকরা শুধু সৌন্দর্যেই মুগ্ধ নন, ফুলকির খাবারের মান, পরিষেবা এবং পরিবেশনকারীদের আন্তরিকতা নিয়েও মিলছে প্রশংসা। ভিন্ন রকম চায়ের সাথে মিলছে আগুনে পোড়ানে রুটির স্বাদ নেওয়ার সুযোগ।
অনেক দর্শনার্থীর মতে, রৌমারি বিল ভ্রমণে নতুন আনন্দ যোগ করেছে ফুলকি।
এখানে ঘুরতে এসে লিমন বলেন, 'ফেসবুকের মাধ্যমেই রৌমারি বিলের মাঝে এই ফুলকি স্টলের ভাইরাল হওয়া দেখে চলে এসেছি। এখানের পরিবেশের সাথে ফুলকির নান্দনিক সৌন্দর্য মুহুর্তেই মনকে ভালো করে তুলে।'
পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে সোহাগ- রুবি দম্পতি বলেন, 'এই ফুলকি তে আজ প্রথমবারের মতো পরিবার নিয়ে জামালপুর থেকে চলে এসেছি।বাচ্চারা অনেকে আনন্দ করছে সাথে আমাদের ও ভালো একটা সময় কাটলো।'
ফুলকির এক কর্মচারি বলেন, 'আমাদের যখন এটা তৈরি হচ্ছিলো অনেকে ভেবেছিলো বিলের মধ্যে এটা কি ঘর তৈরি হচ্ছে! কোনো লাভ হবে না। আমরাও ভাবিনি ফুলকি এভাবে ভাইরাল হবে ও দর্শনার্থীরাও এতো পরিমান আসবে। আমাদের কাজের প্রচুর চাপ। বিকাল থেকে সন্ধ্যা নামার সময়টা আরো বেশি এখানে জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে উঠে। আমরা ভালো চা ও ভালো মানের খাবার তৈরি করার চেষ্টা করছি।'
ফুলকির উদ্যোগক্তা, হিল্লোল সরকার বলেন, 'আসলে পরিকল্পনা করে নয়, হঠাৎ করেই ফুলকি তৈরির উদ্যোগ আসে। এলাকার তরুণ কিছু ছেলেদের নিয়ে, যারা পড়াশোনার ফাঁকে পার্ট-টাইম কাজ করছে, তাদের সহযোগিতায় এটি পরিচালিত হচ্ছে। অনেক সাড়া পাচ্ছি,আশা করছি ফুলকি আরও জনপ্রিয় হবে।'