রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন জমি বরাদ্দে জাতিসংঘের প্রস্তাবে বাংলাদেশের ‘না’

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩৩
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য অতিরিক্ত জমি বরাদ্দের জাতিসংঘের অনুরোধে সাড়া দেয়নি বাংলাদেশ সরকার। 

শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এদিকে রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের দাবিতে জাতিসংঘে আবারও জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখানেই খুঁজে বের করতে হবে। মানবিক কারণে প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশ প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এ পরিস্থিতি দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করছে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় সম্পদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। তাই দ্রুত ও টেকসই সমাধান এখন সময়ের দাবি।

তিনি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে আগ্রহী এবং প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান। তিনি দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সংকটের মূল কারণ দূর করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগে থেকেই বাংলাদেশে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছিল। ওই বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের পর কয়েক মাসের মধ্যে আরও প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে দেশে মোট প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর