ঋণের দায় নেওয়ার চেয়ে লোডশেডিং সহ্য করা ভালো: বিদ্যুৎমন্ত্রী

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:২৯
বর্তমান সংকট উত্তরণে ঋণের বোঝা আরো বাড়ানোর চেয়ে লোডশেডিং সহ্য করাই ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে জ্বালানি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশের (এফইআরবি) নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমানে জ্বালানি খাতে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'বিপুল বকেয়া ও জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানো যাচ্ছে না।'

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বিগত বিএনপি সরকার লোডশেডিং রেখে গেলেও জনগণের ওপর ঋণের পাহাড় চাপিয়ে যায়নি। বর্তমানে বাতি জ্বললেও জাতি  এখন ঋণের জালে নিমজ্জিত। ঋণের এই ভার বহন করার চেয়ে কিছুটা কষ্ট সহ্য করে নেওয়া অনেক ভালো। তারওপর বসিয়ে রাখা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া (ক্যাপাসিটি চার্জ) দিতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।'

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, 'বিশাল ঋণের বোঝা থাকলেও সাধারণ মানুষের ওপর এখনই দামের চাপ দিতে চাই না। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) দাম বাড়ানোর চাপ দেওয়ার আগেই খরচ কমিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে আমাদের। বিশেষ করে বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো নিয়ে পুনরায় সমঝোতা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।'

সিস্টেম লস কমানোর ব্যাপারে জোর দিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপির সময়ে সিস্টেম লস ৬ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা ১০ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এটি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে পারলে জনগণের ওপর বাড়তি দামের বোঝা চাপাতে হবে না। আমাদের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য এই লস ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা।'

গ্যাস সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারকে দায়ী করে বলেন, 'দীর্ঘদিন নতুন কোন কূপ খনন না করায় এবং উৎপাদন না বাড়ার ফলে বর্তমানে এই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।অবশ্য চাইলেই রাতারাতি গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়, এর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন।’

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর