নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মুমিনুল ইসলাম বলেন, 'রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ ও কর্ণফুলী নদীর পাশে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া যেসব রিসোর্ট গড়ে উঠেছে, তাদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর রিসোর্টগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
সরকারি সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, গত ৫ থেকে ১০ বছরে অন্তত ২০টি রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে কাপ্তাই হ্রদের পাশে রয়েছে অন্তত ১৫টি রিসোর্ট। আর কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী নদীর পাশে রয়েছে ৫টি।
সম্প্রতি যেসব রিসোর্টকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে রাঙামাটির মগবান ইউনিয়নের বড়দাম বাজারের বড়গাং রিসোর্ট, একই এলাকার বেড়াইন্ন্যে রিসোর্ট ও ইজর রিসোর্ট, বার্গী লেক ভ্যালি, প্যাগোডা সড়কের গাং সাবরাং রিসোর্ট, জীবতলীর তিমুর সড়কের জুম কিং ইকো রিসোর্ট, মোরঘোনা এলাকার রেঙ লেক বিচ রিসোর্ট, কাটাছড়ির মৈত্রী নগরের রাঙাদ্বীপ রিসোর্ট, দীঘলিবাগ এলাকার ওয়াইল্ড উড আইসল্যান্ড রিসোর্ট, একই এলাকার মায়াবী আইসল্যান্ড রিসোর্ট, নীলাঞ্জনা বোট ক্লাব ও রিসোর্ট এবং বাগান বিলাস ইকো রিসোর্ট।
পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের একজন কর্মকর্তা বলেন, 'রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ ও কর্ণফুলী নদীর পাশে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র তো নেয়ইনি, যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও নেই। এ জন্য রিসোর্টগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'