স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে পোশাক পরিবর্তনের প্রত্যাশা আছে। আমি বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে বুঝেছি, বর্তমানে যে পোশাকে পুলিশ বাহিনী কাজ করছে, তাতে তারা সন্তুষ্ট নয়। তাই আমরা আগের ঐতিহ্যমণ্ডিত ইউনিফর্মের মধ্যে যেকোনো একটি ফেরানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।'
তিনি আরও বলেন, 'বর্তমান সরকারে পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের বাহিনী নয়। পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু। দলীয় প্রভাবমুক্ত করে আধুনিক, সেবাধর্মী ও মানবিক বাহিনী হিসেবে জনগণের কাছে সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দিয়ে বলেন, 'গণতান্ত্রিক সংস্কারে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে, যা পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখতে সহায়ক হবে। অচিরেই এর সুফল সকলেই দেখতে পাবেন।'
৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজে ৭২ জন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অংশগ্রহণ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন, অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী নবীন কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ জি এম আজিজুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথিরা।