মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত পোস্টাল ব্যালটের ভোটেই নির্ধারিত হয়েছে বিজয়-পরাজয়। মাত্র ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তারকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ১০২টি কেন্দ্রের অধিকাংশে এগিয়ে ছিলেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাদিরা আক্তার। কেন্দ্রভিত্তিক ভোটে তিনি পান ৬৪ হাজার ২৯১ ভোট। অন্যদিকে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী হানজালা পান ৬৩ হাজার ৫১১ ভোট। এতে কেন্দ্রের ভোটে ৭৮০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন নাদিরা।
তবে পোস্টাল ব্যালট গণনায় চিত্র পাল্টে যায়। পোস্টাল ব্যালটে হানজালা পান ১ হাজার ৩৯৮ ভোট, যেখানে নাদিরা আক্তার পান মাত্র ২৩৩ ভোট। এতে মোট ভোটের হিসাবে হানজালার প্রাপ্ত ভোট দাঁড়ায় ৬৪ হাজার ৯০৯ এবং নাদিরা আক্তারের প্রাপ্ত ভোট ৬৪ হাজার ৫২৪। ফলে ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করেন হানজালা।
এ আসনে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল জামান মোল্লা। তিনি পান ৩৬ হাজার ৫৬৪ ভোট। এছাড়া ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী আকরাম হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ২০৫ ভোট, রাজিব মোল্লা ৩ হাজার ২৬ ভোট, সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী ৩ হাজার ৫৯ ভোট, ইমরান হাসান ২৪৭ ভোট, আব্দুল আলী ২০৮ ভোট, জহিরুল ইসলাম মিন্টু ১৮০ ভোট এবং হাফিজুর রহমান ৬৯ ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ১০২টি কেন্দ্রের অধিকাংশে এগিয়ে ছিলেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাদিরা আক্তার। কেন্দ্রভিত্তিক ভোটে তিনি পান ৬৪ হাজার ২৯১ ভোট। অন্যদিকে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী হানজালা পান ৬৩ হাজার ৫১১ ভোট। এতে কেন্দ্রের ভোটে ৭৮০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন নাদিরা।
তবে পোস্টাল ব্যালট গণনায় চিত্র পাল্টে যায়। পোস্টাল ব্যালটে হানজালা পান ১ হাজার ৩৯৮ ভোট, যেখানে নাদিরা আক্তার পান মাত্র ২৩৩ ভোট। এতে মোট ভোটের হিসাবে হানজালার প্রাপ্ত ভোট দাঁড়ায় ৬৪ হাজার ৯০৯ এবং নাদিরা আক্তারের প্রাপ্ত ভোট ৬৪ হাজার ৫২৪। ফলে ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করেন হানজালা।
এ আসনে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল জামান মোল্লা। তিনি পান ৩৬ হাজার ৫৬৪ ভোট। এছাড়া ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী আকরাম হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ২০৫ ভোট, রাজিব মোল্লা ৩ হাজার ২৬ ভোট, সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী ৩ হাজার ৫৯ ভোট, ইমরান হাসান ২৪৭ ভোট, আব্দুল আলী ২০৮ ভোট, জহিরুল ইসলাম মিন্টু ১৮০ ভোট এবং হাফিজুর রহমান ৬৯ ভোট।