রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করবে না। তবে রোড মার্চের নামে জনসাধারণের জানমালের ক্ষতি কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিংসহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার এসব কর্মসূচিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে চায় না। তবে কোনো কর্মসূচির আড়ালে জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা বা সম্পদের ক্ষতি করার চেষ্টা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মীর হেলাল বলেন, পাহাড়ি এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন একযোগে কাজ করছে। এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, পার্বত্য এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করা, প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসাসেবার মান বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পাহাড়কে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় রাঙামাটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও দুর্নীতি দমন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে জবাবদিহিতা বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী ও রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. রকিব উদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে