সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার না করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. শামিউল ইসলাম প্রামাণিকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু পোস্ট, ভিডিও এবং মন্তব্য নজরে এসেছে। এসব কনটেন্টের মধ্যে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এ ধরনের প্রচারের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ কারণে অধিদপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত, নীতিমালা কিংবা প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে কোনো ধরনের যাচাইহীন বা উসকানিমূলক তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্দেশনা অমান্য করে কেউ এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত হলে বিষয়টি সরকারি চাকরির প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে। প্রমাণিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও পেশাগত দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস