জামালপুর-শেরপুর ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় পাঁচ টাকা দিতে সামান্য দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে জামালপুর-শেরপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বিক্ষুব্ধ লোকজন। এতে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
মারধরের শিকার যুবকের নাম সাদিকুর রহমান সুমন। তিনি ‘ঢাকা প্রতিদিন’ পত্রিকার জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলামের ছেলে। সুমনের অভিযোগ, বাবার মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোলপ্লাজায় যান তিনি। মোটরসাইকেলটি পাশে রেখে পাঁচ টাকা টোল পরিশোধ করতে সামান্য দেরি হলে টোল আদায়ের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা তাঁকে মারধর করেন। মোটরসাইকেলটিতে ‘প্রেস’ লেখা স্টিকার লাগানো ছিল বলেও জানান তিনি।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে তাঁরা জামালপুর-শেরপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকে পড়ে এবং গন্তব্যে যেতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকেরা।
সুমন বলেন, টোলপ্লাজার পাশে মোটরসাইকেল থামিয়ে টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাঁকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগী বা সংশ্লিষ্ট কেউ এখন পর্যন্ত তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবরোধের স্থান জামালপুর অংশে হওয়ায় সেখানকার পুলিশও বিষয়টি দেখবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, জামালপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে অবরোধ তুলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যান চলাচলও স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অবরোধকারীরা।
সদ্য সংবাদ/এসএস