দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি পুরোপুরি কাটেনি। ফলে শনিবার সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ সময়ে সারাদেশে সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট।
অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ঘাটতির মুখে পড়তে পারে ঢাকা। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সন্ধ্যার পিক সময়ে ৬৯৮ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার পর ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি তুলনামূলক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুই অঞ্চলেই ৩৫০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিং হতে পারে।
এ ছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলে ৩১৫ মেগাওয়াট এবং রাজশাহীতে ৩০০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে। রংপুর অঞ্চলে সম্ভাব্য লোডশেডিং ২৫০ মেগাওয়াট।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৯০ মেগাওয়াট, সিলেটে ১৫০ মেগাওয়াট এবং বরিশাল অঞ্চলে ১০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে বলে জানিয়েছে পিজিসিবি।
বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধানের কারণে সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে দিনের শেষে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ায় এ সময়ে ঘাটতির মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে।
পিজিসিবির প্রকাশিত অঞ্চলভিত্তিক পূর্বাভাসে দেশের নয়টি অঞ্চলের জন্য সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের হিসাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ঘাটতির আশঙ্কা ঢাকায় এবং সর্বনিম্ন বরিশাল অঞ্চলে।
তবে এটি পূর্বাভাসভিত্তিক হিসাব হওয়ায় প্রকৃত লোডশেডিংয়ের পরিমাণ পরিস্থিতি অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, চাহিদা এবং জাতীয় গ্রিডের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত কোন এলাকায় কতটা লোডশেডিং হয়।
সদ্য সংবাদ/এসএস