গুলিবিদ্ধ মো. আলমগীর টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামের মৃত ছৈয়দ বলির ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ভাই সরওয়ার আলম।
তিনি জানান, মাগরিবের পর আলমগীর ও অপর জেলে মো. আকবর নাফ নদীর হোয়াইক্যং এলাকার বিলাইরছিয়া দ্বীপসংলগ্ন এলাকায় নৌকায় করে মাছ ধরছিলেন। এ সময় হঠাৎ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। একপর্যায়ে আলমগীর নৌকার মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। পরে দেখা যায়, তার বাম হাতে গুলি লেগেছে এবং গুলিটি হাত ভেদ করে বের হয়ে গেছে।
সঙ্গে থাকা জেলের সহায়তায় আহত আলমগীরকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং এমএমএস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, 'নাাফ নদীতে মো. আলমগীর নামে এক জেলের হাতে গুলি লেগেছে বলে শুনেছি। তবে কারা গুলি করেছে, তা আমি জানি না। নাফ নদীর এপারে মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকায় মাঝে মধ্যেই গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়, যা এখানে ভেসে আসে। আজও কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে।'
এ বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন কান্তি রুদ্র জানান, নাফ নদীর সীমান্ত এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া শিকারে গিয়ে এক বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর স্থানীয়দের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। তবে কোন পক্ষের গুলিতে তিনি আহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।