শনিবার (১৪ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আমিরাত নিউজ এজেন্সি।
আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ আল সামছি জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত শেষ করে জরুরি ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিশর, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ইরান, ক্যামেরুন ও নেপালের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া ভারতের দুই নাগরিকও তালিকায় রয়েছেন।
দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু ভিডিও প্রচার করেছিল যা জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তদন্তে জানা গেছে, ভিডিওগুলোর কিছু অংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।

আমিরাতের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কোনো ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়ানো সহ্য করা হবে না। তাদের ধারণা, গ্রেপ্তারকৃতরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করেছে।
বর্তমানে পাবলিক প্রসিকিউশন অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আমিরাত সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের যাচাইহীন বা বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে অনলাইনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে দেশটির সাইবার নিরাপত্তা বিভাগ বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে।
দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে ভয় ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা একটি গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিভিন্ন দেশের নাগরিক এই ঘটনায় জড়িত থাকায় আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। ঘটনাটির পর দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীসহ সকল নাগরিককে ডিজিটাল নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন মেনে চলার বিষয়ে নতুন করে সতর্ক করা হয়েছে।
সূত্র: আমিরাত নিউজ এজেন্সি