দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাদারীপুরে উদ্বোধন করা হলো বহুল প্রত্যাশিত মাদারীপুর সদর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।শুক্রবার (০২ জানুয়ারি ২০২৬) জুমার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে মসজিদটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধনী জুমার নামাজে অংশ নিতে সকাল থেকেই মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢল নামে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির। মুসল্লিদের পদচারণা ও ধর্মীয় আবহে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এ সময় নামাজ আদায়ে অংশ নেন জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাদারীপুরে উদ্বোধন করা হলো বহুল প্রত্যাশিত মাদারীপুর সদর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারি ২০২৬) জুমার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে মসজিদটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
উদ্বোধনী জুমার নামাজে অংশ নিতে সকাল থেকেই মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢল নামে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির। মুসল্লিদের পদচারণা ও ধর্মীয় আবহে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এ সময় নামাজ আদায়ে অংশ নেন জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
নামাজ শেষে মুসল্লিদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও তৃপ্তির অনুভূতি। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ও নান্দনিক এই মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারা তাদের জন্য গর্ব ও পরম শান্তির। তাঁদের ভাষায়, এটি আল্লাহ তায়ালার এক বিশেষ নিয়ামত এবং দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের দিন।
আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও ইসলামী নকশায় নির্মিত মাদারীপুর সদর মডেল মসজিদে রয়েছে প্রশস্ত নামাজ কক্ষ, নারী মুসল্লিদের জন্য পৃথক ও নিরাপদ ব্যবস্থা, ইসলামিক সাংস্কৃতিক ও দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগসহ আধুনিক নানা সুযোগ-সুবিধা। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই মসজিদ মাদারীপুরের ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী আয়োজনের শেষপর্বে মুসল্লিরা মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন—তিনি যেন আদায় করা সকল নামাজ কবুল করেন এবং এই মসজিদকে দ্বীনের খেদমতে কবুল করেন। আমিন।
সদ্য সংবাদ/সৈয়দ গোলাম মারুফ