তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে ভুয়া ডাকাতির ঘটনা ঘটাতেন। এর উদ্দেশ্য ছিল কর্মচারীদের ‘অপরাধের শিকার’ হিসেবে দেখানো, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিবাসন সুবিধা হিসেবে পরিচিত ইউ–ভিসা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।
তদন্তে আরও জানা যায়, কমপক্ষে ছয়টি দোকান, লিকারের দোকান ও ফাস্টফুড রেস্তোরাঁয় এমন নকল ডাকাতির ঘটনা সাজানো হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী দলের একজন সদস্য ডাকাত সেজে দোকানে ঢুকে লুটপাটের অভিনয় করতেন। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভিতে ধারণ করা হতো। পরে উপস্থিত অন্য সদস্যরা পুলিশের কাছে খবর দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে পাঁচ মিনিট বা তার বেশি সময় বিলম্ব করতেন, যাতে ঘটনাটি বাস্তব বলে মনে হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে জিতেন্দ্রকুমার, মহেশকুমার, সঞ্জয়কুমার, অমিতাবাহেন, সঙ্গীতাবেন ও মিতুল প্যাটেলকে ম্যাসাচুসেটসে আটক করা হয়েছে। এছাড়া রমেশভাই, রোনককুমার, সোনাল ও মিনকেশ প্যাটেলকে কেন্টাকি, মিসৌরি ও ওহাইও অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের সবাইকে পরে বস্টনের ফেডারেল আদালতে হাজির করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের আইনে ভিসা জালিয়াতির ষড়যন্ত্র প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড, তিন বছর তত্ত্বাবধানে থাকা এবং সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
এই অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই), অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়েছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে এসব অভিযোগ তদন্তাধীন। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনের দৃষ্টিতে সবাই নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।