গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, পুরনো আমলের দোতলা ভবনটির বিভিন্ন কাঠামোগত মেরামত, রং-রোগান ও অভ্যন্তরীণ সংস্কার কাজ একসঙ্গে চলছে। সংশ্লিষ্ট এক প্রকৌশলী বলেন, 'বিরোধীদলীয় নেতার বসবাসের উপযোগী করতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগতে পারে।'
মিন্টো রোডের এই বাড়িটি দেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিবাহী স্থান। ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার পর শেখ হাসিনা এই ভবনে উঠেছিলেন। পরে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত এখানেই বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নিয়মিত অফিস করেন খালেদা জিয়া।
এক সময় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আনাগোনায় সরগরম থাকত বাড়িটি। সভা-সমাবেশ, দলীয় বৈঠক ও নানা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকাটি থাকত প্রাণচঞ্চল। তবে ২০০১ সালে খালেদা জিয়া বাসাটি ছেড়ে দেওয়ার পর গত প্রায় ২৫ বছর সেখানে আর কোনো বিরোধীদলীয় নেতা বসবাস করেননি।
বাড়িটির বরাদ্দ ও সংস্কার প্রসঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, 'সরকার বিরোধীদলীয় নেতার জন্য বাড়িটি বরাদ্দ রেখেছে এবং সংস্কার কাজ শেষ হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।'
অন্যদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, 'বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেখানে বিরোধীদলীয় নেতা থাকবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। দলীয়ভাবে আলোচনা করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'