জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা স্বীকার করেছে। তাদের বরাতে বলা হয়েছে, সম্ভবত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া চলার সময় এ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ঘটেছে। পিয়ংইয়ং কয়েক দিন আগে এই মহড়াকে কেন্দ্র করে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ হওয়া সম্ভব বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এ সময় কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনাও এড়িয়ে যাচ্ছে। তারা দক্ষিণ কোরিয়ার শান্তি প্রচেষ্টা ‘অদক্ষ ও প্রতারণামূলক’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে পিয়ংইয়ং-এর পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বহু প্রচেষ্টা এখনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাতে পারেনি।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সোমবার থেকে তাদের বার্ষিক বসন্তকালীন যৌথ সামরিক মহড়া ‘ফ্রিডম শিল্ড’ শুরু করেছে, যেখানে প্রায় ১৮ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনা অংশ নিচ্ছে। মহড়াটি ১৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের যৌথ মহড়াকে আক্রমণের মহড়া হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং সতর্ক করে বলেছেন, এটি ‘অকল্পনীয় ভয়াবহ পরিণতি’ ডেকে আনতে পারে।
পিয়ংইয়ং এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ বলে নিন্দা জানিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘দুষ্কৃতিকারী চরিত্রের’ প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।