পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় পার্শ্ববর্তী গ্রামের কয়েকজন তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে মুনসুরাবাদ বাজারে প্রথম সংঘর্ষ শুরু হয়, যা আড়াই ঘণ্টা চলে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৭ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে দাঁড়ায়। মুনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে খাপুরা, সিংগারডাক, মাঝিকান্দা, ভীমেরকান্দি, ছোট হামেরদী, হামেরদী, গুপিনাথপুরসহ মোট ৮ গ্রামের মানুষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
ভাঙ্গা থানার তদন্ত ওসি আলামিন মিয়া জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা সদর থেকে সেনাবাহিনী, ডিবি, অতিরিক্ত একটি প্লাটুন পুলিশ ও ভাঙ্গা থানা পুলিশ মিলে তৎপরতা চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে সক্ষম হয়। পুলিশের একাধিক টিম, সেনাবাহিনী ও ডিবির সদস্যরা এখনও ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।