দুই দায়িত্ব একসঙ্গে পালনের নজির আছে: খলিলুর রহমান

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩২

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পরও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে কোনো জটিলতা দেখছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতেও একই ব্যক্তি একসঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, তিনি চাকরি ছাড়বেন কি না বা ছুটিতে যাবেন কি না—এ নিয়েই মূলত আলোচনা হচ্ছে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতির পূর্ব নজির রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চার দশক আগের একটি উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর একই সঙ্গে দুটি দায়িত্বই সফলভাবে পালন করেছিলেন। সে সময় তিনি হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তার ভাষ্য, তখন তথ্যপ্রযুক্তির বর্তমান সুবিধা ছিল না, অথচ দায়িত্ব পালন সম্ভব হয়েছিল। এখন প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে বিষয়টি আরও সহজ।

গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন খলিলুর রহমান। এরপর থেকেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে বহাল থাকবেন নাকি সভাপতির দায়িত্ব পালনের জন্য পদত্যাগ বা ছুটিতে যাবেন—এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

তবে এর আগে গত ১৩ মে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় খলিলুর রহমান বলেছিলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সবার জন্য নিরপেক্ষ ও পূর্ণকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনে এক বছরের জন্য ছুটিতে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

সেই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছিলেন, পদত্যাগই একমাত্র পথ নয়; প্রয়োজন হলে ছুটিও নেওয়া যেতে পারে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের জন্য এক বছরের সময় দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবারও তিনি বলেন, এ বিষয়ে আগেই স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে বিভ্রান্তির কোনো কারণ নেই।

জার্মানির একটি উদাহরণ উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, অনেকেই দেশটির একজন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রসঙ্গ তুলছেন। তবে তার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলেও তার দল নির্বাচনে পরাজিত হওয়ায় মন্ত্রিত্ব ধরে রাখতে পারেননি। ফলে সেই উদাহরণের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা সঙ্গত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর সদ্য. সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি সদ্য. জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান সদ্য. আগে কখনো এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল বিমানবন্দর দেখিনি; মন্ত্রীকে জানালেন যাত্রীরা সদ্য. সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে আইন শিথিল সদ্য. গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের দাফন সম্পন্ন সদ্য. আবারও জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সদ্য. বৃহস্পতিবার দক্ষিণাঞ্চল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ট্রাম্পের পরাজয়ের খবরে বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম সদ্য. দেশব্যাপী জামায়াতের জেলা ও মহানগর আমিরের নাম ঘোষণা সদ্য. রাজধানীতে ফুটপাত উচ্ছেদকালে ঘুষ লেনদেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর