তিনি বলেন, উত্তরার সেক্টরভিত্তিক এলাকাগুলোর তুলনায় রেললাইনের পরবর্তী উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ বাউনিয়া এলাকা পরিকল্পিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে পুরো ঢাকা-১৮ আসনকে সেক্টরের মতো পরিকল্পিত ও আধুনিক আসনে রূপান্তর করবো।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর দক্ষিণখান ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ান সিটি প্রাঙ্গণে গণসংযোগ কর্মসূচির শুরুর আগে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন খান লিটনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য আব্দুস সালাম, দক্ষিণখান থানা বিএনপির নেতা বিল্লাল হোসেন দুলাল, আতাউর রহমান, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজমল হুদা মিঠু, মো. আলাউদ্দিন, আলমগীর হোসেন শিশির, মোস্তফা সরকার, যুবদলের মো. আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, এই এলাকার মানুষকে অনেক সময় অবহেলার চোখে দেখা হয়, কেউ কেউ নিম্নাঞ্চল বলেও কটাক্ষ করে। কিন্তু এই এলাকার মানুষ কোনো দিক থেকেই পিছিয়ে নয়; তারা সমাজে সমান অবদান রেখে চলেছে।
রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবেই তারা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন পায়নি। রেললাইনের দুই পাশের এলাকাকে কার্যকর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে, যাতে মানুষ সহজে কর্মস্থল, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় পৌঁছাতে পারে।
এলাকার আবাসন প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজউকের নীতিমালা মেনে পরিকল্পিত ইমারত নির্মাণ করতে হবে। অপরিকল্পিত ভবন ও অবৈধ স্থাপনার কারণে জলাবদ্ধতা, যানজট ও নাগরিক দুর্ভোগ বাড়ছে। এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। এলাকার সড়ক প্রশস্তকরণ ও যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কেউ যেন বিনা অপরাধে হয়রানির শিকার না হয়—সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের পক্ষে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতিতে অপরাধের কোনো স্থান নেই। আমরা নিজেরা অপরাধের সঙ্গে জড়াবো না, কাউকেও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না। রাজনীতি হবে মানুষের অধিকার ও উন্নয়নের জন্য।
নারী ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ইতোমধ্যেই নারীদের কল্যাণে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। নারীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিএনপি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে।
এ সময় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।