ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে করা এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তনয় কুমার সাহা এ নোটিশ পাঠান। এতে শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার ফুয়াদকে বিবাদী করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি এক আলোচনায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও অনুষদ সদস্যদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করেছে। এ কারণে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
এছাড়া নোটিশে অভিযোগ করা হয়, ওই বক্তব্যের ফলে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও মানসিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
নোটিশে আরও তিনটি দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে করা বক্তব্য প্রত্যাহার ও প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান। এই অর্থ ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে’ জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আইনজীবী তনয় কুমার সাহা জানান, নোটিশে উল্লেখিত দাবি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পূরণ না হলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়েরের কথা বিবেচনা করা হবে।
গত ১ জুলাই ঢাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার ফুয়াদের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এ আইনি নোটিশ পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।