সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের কাউতলী এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এই হুশিয়ারি দেয়া হয়। মানববন্ধনে জেলার সড়ক পরিবহনের ১১ টি সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নিয়ামত খান, সদস্য সচিব মো. মেরাজ ইসলাম, সিএনজি অটোরিকশা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহার চৌধুরী, জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মিয়া, সহ-সভাপতি ছোট্টু মিয়াসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, 'জেলার পরিবহন মালিক শ্রমিকরা নিরবিচ্ছিন্নভাবে জনগণকে পরিবহন সেবা দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে ট্রাফিক বিভাগের অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির কারণে পরিবহন খাতে এখন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ার নিয়ম বহির্ভূতভাবে জেলার শত শত সিএনজি অটোরিক্সা ও চারটি বাস আটক করে রেখে বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও হয়রানি করছে। পাশাপাশি তার স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে অযাচিত বেআইনি ও দুর্নীতি কার্যক্রমের ফলে জেলার পরিবহন মালিক শ্রমিকরা আজ ক্ষোভো ফুসে উঠেছে। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলেও নানা রকম উৎকোচ দিতে হয়। এ অবস্থায় এসব বন্ধ করে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।'
বক্তারা আটকৃত সকল যানবাহন মালিকদের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া, পরিবহন মালিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, রিকুইজিশনের নামে হয়রানি বন্ধসহ ৭ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। দ্রুত দাবি পূরণ করা না হলে আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে পরিবহন ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
পরে সাত দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন পরিবহন মালিক–শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
সদ্য সংবাদ/মমিনুল হক রুবেল