এ ঘটনায় তিনি নূরউদ্দিন ফরাজী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি কিছুদিন কারাগারে ছিলেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
এলাকাবাসীর উদ্যোগে ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সমঝোতার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
অভিযোগকারী পক্ষ জানায়, শালিসের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস পেয়ে তারা অভিযুক্তের জামিনে সহযোগিতা করেন এবং মামলা প্রত্যাহার করেন।
পুলিশের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ উভয় পক্ষকে সতর্ক করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার নির্দেশনা দেয়।
তবে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর অভিযুক্তের আচরণ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন। যদিও অভিযুক্তের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধ আইনি ও সামাজিকভাবে টেকসই সমাধানের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে এবং কোনো পক্ষই যেন ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসন প্রয়োজনীয় নজরদারি অব্যাহত রাখবে।