বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃত ত্রিদিবকে আদালতে সোপর্দ করা হয় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি)। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ত্রিদিব বেজপাড়া চিরুনি কল এলাকার পুরোহিত মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আবুল বাশার জানান, হত্যার দায় স্বীকার করেছেন ত্রিদিব। সিসিটিভি ফুটেজে যে পোশাক পরে গুলি চালিয়েছিলেন, সেটিও জব্দ করা হয়েছে।
গত ৩ জানুয়ারি রাতে শংকরপুর এলাকায় মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করা হয় আলমগীরকে। নিহত আলমগীর ছিলেন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য। এ ঘটনায় তার স্ত্রী শামীমা পরশ, সাগর ও কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
ত্রিদিব জানান, হত্যার দিন বিকেলে ‘প্রিন্স’ নামের একজন তাকে মোটরসাইকেলে করে আলমগীরের পেছনে নিয়ে যান। পরশ ও সাগরের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে হত্যার পরিকল্পনা ও অস্ত্র সরবরাহ করা হয়। পরে ‘অমি’ নামের আরেকজন মোটরসাইকেলে আলমগীরকে অনুসরণ করে এবং ত্রিদিব গুলি চালান। ঘটনার পর থেকে ত্রিদিব বাড়িতেই অবস্থান করছিল।
যশোর ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ত্রিদিবকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে।