প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, সিটি করপোরেশনের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো গঠন কিংবা পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে মেয়রের প্রশাসনিক ক্ষমতাও তার ওপর ন্যস্ত থাকবে।
নিয়োগের পরদিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে লিখিতভাবে দায়িত্বভার গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান স্বাক্ষরিত সরকারি গেজেটে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নতুন এই সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হয়েছে বর্তমান বগুড়া পৌরসভাসহ সদর ও শাজাহানপুর উপজেলার কয়েকটি সম্প্রসারিত ও পার্শ্ববর্তী এলাকা।
ফুলবাড়ী, নিশিন্দারা, কাটনারপাড়া, সুত্রাপুর, মালগ্রাম, ঠনঠনিয়া, মালতীনগর, ফুলদিঘী ও বেতগাড়ীসহ মোট ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠন করা হয়েছে নতুন এ নগর প্রশাসন।
প্রথম প্রশাসক হিসেবে এম আর ইসলাম স্বাধীনের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, 'বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানাই। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি পরিকল্পিত, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব বগুড়া গড়ে তুলতে চাই।'
সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর থেকেই বগুড়াজুড়ে নতুন প্রত্যাশার আবহ তৈরি হয়েছে। তবে নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই নবনিযুক্ত প্রশাসকের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।