বাংলাদেশ দূতাবাস, লিসবন কর্তৃক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। বুধবার (৫ আগস্ট) দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিস সামিয়া ইসরাত রনি সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন দূতালায় প্রধান এসএম গোলাম সরোয়ার ।
অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে জুলাই শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয় ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের তাৎপর্য এবং আগামীর প্রত্যাশা তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জুলাই আন্দোলনে প্রবাসে থেকে অংশ নেয়া ব্যক্তিবর্গ এবং পর্তুগালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশীরা ১৯৭১ এবং ২০২৪-এর সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি বর্তমান সরকার এবং দূতাবাসের কাছে তাদের প্রত্যাশা তুলে ধরেন। ঢাকা-লিসবন বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ঢাকায় পর্তুগাল দূতাবাস স্থাপনের কথা তারা জোরালোভাবে উপস্থাপন করেন।
দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তাঁর বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি দেশ গঠনে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমুহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে তুলে ধরেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ।
সদ্য সংবাদ/এসএস