নিহত হালিমা আক্তার উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ ইসহাকের মেয়ে। তার স্বামীর নাম মিজানুর রহমান। দেড় বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে তাদের।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হালিমা আক্তার ও মিজানুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ চলছিল। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক সালিশও অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
পরিবারের দাবি, সর্বশেষ শনিবার রাতেও তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এর পরদিন সকালে হালিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর স্বামীর পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা।
নিহত হালিমার বড় ভাই নঈম উদ্দিন বলেন, 'ভোরে হালিমার স্বামী ফোন করে আত্মহত্যার কথা জানান। পরে ঘটনাস্থলে এসে তারা ঘরের ভেতর শয়নকক্ষে ছাদের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। তবে তাদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।'
এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, 'মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।'
তিনি আরও বলেন, ‘রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়াঝাঁটি হয়েছে বলে শুনেছি। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করব।’