বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি এই জনসভাকে কেবল প্রচার কর্মসূচির সমাপ্তি নয়, বরং নির্বাচনপূর্ব চূড়ান্ত শক্তি প্রদর্শন হিসেবে দেখছে। ঢাকার রাজপথে বৃহৎ জমায়েতের মাধ্যমে দলটির সাংগঠনিক সক্ষমতা তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
সমাপনী জনসভায় তারেক রহমান দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের দিন করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্র রক্ষা ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি তিনি দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, জনসভা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৮ ফেব্রুয়ারির এই জনসভা বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মধ্য দিয়েই দলটির নির্বাচনী প্রচারের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। নয়াপল্টনের এই জমায়েত থেকে দেওয়া বার্তা সারাদেশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে জনসভাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। নির্বাচনের কয়েক দিন আগে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়তি উত্তাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।