বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যায় স্থানীয় বিএনপি নেতাও জড়িত। তিনি মহিষাশুরা ইউনিয়নের মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নরসিংদীর মাধবদীতে দিন ১৫ আগে স্থানীয় নূরার নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি বখাটে দল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির বাবা বিচার চেয়ে স্থানীয় মেম্বারের কাছে বিচার দিলে ধর্ষকদের কাছ থেকে টাকা খেয়ে বিএনপি নেতা ও মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান আপোসের নামে ধর্ষণ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, মামলা করতে দেননি। উল্টো মেয়েটির পরিবারকে এলাকা ছাড়তে বলেন।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘চাপে পড়ে বুধবার বিকেলে কিশোরী মেয়েকে খালার রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। সে সময় তুলে নিয়ে যায় নুরা। বৃহস্পতিবার সরিষা ক্ষেতে মেয়েটির লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ানসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। যা যথেষ্ট নয়। ধর্ষক নূরাকে ধরতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। আহম্মদ আলী দেওয়ানের শক্তির উৎস বিএনপি নেতাদের ধরতে হবে। স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে হবে, বিএনপি নেতাদের প্রশ্রয়ে ধর্ষণ অপহরণ খুনের মত জঘণ্য অপরাধ কবে থামবে?’